প্রকাশ্য শত্রুর চেয়ে যেমন গুপ্ত শত্রু বেশি ক্ষতিকর, ঠিক একই ভাবে প্রকাশ্য কাফেরের চেয়ে গুপ্ত মুনাফিক ইসলামের জন্য বেশি ক্ষতিকর।

0

ছবি: জনপ্রচার বাংলাদেশ
জনপ্রচার বাংলাদেশ ডেস্ক:


প্রকাশ্য শত্রুর চেয়ে যেমন গুপ্ত শত্রু বেশি ক্ষতিকর, ঠিক একই ভাবে প্রকাশ্য কাফেরের চেয়ে গুপ্ত মুনাফিক ইসলামের জন্য বেশি ক্ষতিকর বলেন বা পোস্ট করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিনের প্রতিদ্বন্দ্বী এমপি প্রার্থী -মাওলানা ছরোয়ার আলম কুতুবি সাহেব


​ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর বিশিষ্ট নেতা এবং সাবেক এমপি পদপ্রার্থী মাওলানা ছরোয়ার আলম কুতুবী সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসলামের অভ্যন্তরীণ শত্রু বা মুনাফিকদের নিয়ে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দূরদর্শী মন্তব্য করেছেন। তার এই পোস্টটি বর্তমানে নেটিজেনদের মধ্যে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।


​মাওলানা ছরোয়ার আলম কুতুবী তার পোস্টে উল্লেখ করেন যে, ইসলামের ক্ষতি করার ক্ষেত্রে বাইরের শত্রুর চেয়ে ঘরের শত্রু অর্থাৎ মুনাফিকরাই সবচেয়ে বেশি ধ্বংসাত্মক ভূমিকা পালন করে। তিনি বলেন প্রকাশ্য শত্রুর চেয়ে যেমন গুপ্ত শত্রু বেশি ক্ষতিকর, ঠিক একই ভাবে প্রকাশ্য কাফেরের চেয়ে গুপ্ত মুনাফিক ইসলামের জন্য বেশি ক্ষতিকর।


​প্রতিবেদনের মূল পয়েন্টসমূহ:

​ভয়াবহতার তুলনা: বক্তা এখানে প্রকাশ্য কুফরির চেয়ে কপটতা বা মুনাফিকিকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। কারণ প্রকাশ্য শত্রুকে চেনা সহজ হলেও বন্ধুর বেশে থাকা মুনাফিককে চেনা কঠিন।

​সতর্কতা: তার এই বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য হলো মুসলিম সমাজকে সেই সব ব্যক্তিদের সম্পর্কে সচেতন করা, যারা ইসলামের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগত স্বার্থে ধর্মের মূল চেতনাকে ধ্বংস করতে চায়।

​ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ইসলামের ইতিহাসেও দেখা গেছে, যুদ্ধের ময়দানে প্রকাশ্য শত্রুর চেয়ে মুনাফিকদের বিশ্বাসঘাতকতা মুসলমানদের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

​মাওলানা ছরোয়ার আলম কুতুবী সাহেবের এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু শক্তিশালী বার্তাটি বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। যারা ইসলামের লেবাসধারী হয়ে ভেতর থেকে ধর্মের মূলে আঘাত হানে, তাদের চিনে রাখা এবং তাদের থেকে দূরে থাকাই হলো ঈমান রক্ষার অন্যতম উপায়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
3/popular/default